আমরা লাইভে English শনিবার, মার্চ ০৬, ২০২১

তুরস্কে পাকিস্তান নৌবাহিনীর জন্য তৃতীয় মিলজেম ফ্রিগেটের ওয়েল্ডিং শুরু

DEFENCE-Pak-25-01-2021
মিলজেম প্রকল্পের অধীনে পাকিস্তান নৌবাহিনীর জন্য তৃতীয় যুদ্ধজাহাজের ওয়েল্ডিং শুরু অনুষ্ঠানে তুরস্কের প্রেসিডেন্ট রজব তাইয়েব এরদোগান

তুরস্কের প্রেসিডেন্ট রজব তাইয়েত এরদোগান শনিবার পাকিস্তান নৌবাহিনীর জন্য মিলজেম প্রকল্পের আওতায় তৃতীয় ফ্রিগেট (যুদ্ধজাহজ) নির্মাণের ওয়েল্ডিং কাজ উদ্বোধন করেছেন।

এসময় তিনি বলেন, তুরস্কের প্রেসিডেন্ট রজব তাইয়েব এরদোগান বলেছেন, বিশ্বের ১০ দেশের মধ্যে তুরস্ক একটি, যারা নিজস্ব যুদ্ধজাহাজ নকশা, তৈরি করা ও রক্ষণাবেক্ষণে সক্ষম।

তিনি আরো বলেন, আগামী পাঁচ বছরে নেয়া বড় পাঁচটি প্রকল্পের মাধ্যমে তুরস্কের নৌবাহিনী ‘প্রচণ্ড শক্তিশালী অবস্থানে’ পৌঁছাবে।

এরদোগান বলেন, তুরস্কের জন্য সামরিক, অর্থনৈতিক ও কূটনীতিকভাবে শক্তিশালী হওয়া বাধ্যতামূলক। এটি বাছাই করার কোনো বিষয় নয়।

এরদোগান তার বক্তব্যে বলেন, তুরস্ক এমন দেশে পরিণত হয়েছে, যে দেশ তার বন্ধু ও মিত্র দেশগুলোর চাহিদা মেটাতে পারে। স্থল ও সমুদ্রযানের ক্ষেত্রেও এই চাহিদা মেটানো হচ্ছে।

তিনি বলেন, ‘আমরা তুরস্ক ও পাকিস্তানের মধ্যে ঐতিহাসিক ভ্রাতৃত্বের সম্পর্কের দিকে আরো এক ধাপ এগিয়ে যাচ্ছি। তুরস্কের মতোই পাকিস্তান সঙ্কটপূর্ণ এক অঞ্চলে বিভিন্ন সন্ত্রাসী হুমকির বিরুদ্ধে সংগ্রাম করে আসছে। আমি বিশ্বাস করি উভয় দেশ এই হুমকিকে পরাজিত করতে একে অপরকে সহযোগিতা করবে।’

পাকিস্তানের নৌবাহিনী তুরস্কের মিলিটারি ফ্যাক্টরি অ্যান্ড শিপইয়ার্ড ম্যানেজমেন্ট করপোরেশেরনের (এএসএফএটি) সাথে ২০১৮ সালের জুলাইয়ে চারটি মিলজেম শ্রেণীর জাহাজের জন্য চুক্তি করেছিল।

তুর্কি প্রেসিডেন্ট অনুষ্ঠানে তার বক্তব্যে বলেন, আঙ্কারা তার নিজ শক্তিতে বৈশ্বিক সরবরাহদের চ্যালেঞ্জ ও নিষেধাজ্ঞাকে অতিক্রম করতে সক্ষম হবে।

সাবমেরিন প্রযুক্তিতেও তুরস্কের এগিয়ে যাওয়ার কথা উল্লেখ করে এরদোগান বলেন, নৌবাহিনীতে আরো ছয়টি নতুন সাবমেরিন যোগ করা হবে। ২০২২ সালে পিরি রইসের মাধ্যমে এর সূচনা হবে।

একইসাথে ড্রোন শিল্পে তুরস্কের অগ্রগতিতে এরদোগান বলেন, মনুষ্যবিহীন আকাশযান (ড্রোন) তৈরিতে বিশ্বের প্রথম তিন থেকে চারটি দেশের মধ্যে তুরস্ক অন্যতম।

তিনি বলেন, ইস্তাম্বুল ফ্রিগেটের সাথে সমন্বিত করে কোরকুত লো-আল্টিচুড এয়ার ডিফেন্স সিস্টেমের নৌ সংস্করণ হিসেবে গোকদেনিজ এয়ার ডিফেন্স সিস্টেম নিয়ে কাজ করবে তুরস্ক।

এ ছাড়া টিসিজি আনাদোলু (এল-৪০০) জাহাজের পরে তুরস্ক নিজস্বভাবে একটি বিমানবাহী রণতরী তৈরির নকশা করবে বলেও জানান এরদোগান।