আমরা লাইভে English রবিবার, এপ্রিল ১৮, ২০২১

বড় যুদ্ধাস্ত্র আমদানিতে ফের নিষেধাজ্ঞার পথে ভারত

tank

দেশের প্রতিরক্ষা উৎপাদন আরও জোরদার করতে চাইছে ভারত। আর সেকারণেই ভারতীয় সেনায় বিদেশ থেকে আমদানি নিষিদ্ধ যুদ্ধাস্ত্র ও সরঞ্জামের তালিকায় নাম থাকতে পারে ট্যাঙ্ক ও এয়ারক্রাফটের, একটি সর্বভারতীয় সংবাদমাধ্যমে এমনটাই দাবি করা হয়েছে। এমনটা হলে ভবিষ্যতে দেশীয় প্রযুক্তিতে এদেশে তৈরি ট্যাঙ্ক-এয়ারক্রাফটই ব্যবহার করবে ভারতীয় সেনা।

দেশীয় কোম্পানিগুলিকে আরও উৎপাদনে উৎসাহ দেওয়া ও দেশকে প্রতিরক্ষা ক্ষেত্রে স্বনির্ভর গড়ে তোলার লক্ষ্যেই এমন সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে। সামরিক খাতে দেশকে আত্মনির্ভরতার পথে হাঁটানোই একমাত্র লক্ষ্য মোদী সরকারের। আর সেকারণেই হয়তো এমন কিছুদিনের মধ্যেই এমন সিদ্ধান্তর কথা জানাতে পারেন চিফ অফ ডিফেন্স স্টাফ জেনারেল বিপিন রাওয়াত। নতুন করে নিষিদ্ধ হওয়া অস্ত্র আমদানির তালিকায় নাম যুক্ত হতে পারে ট্যাঙ্ক ও এয়ারক্রাফটের মতো ভারী সরঞ্জামের।

এই ধরণের আমদানিতে নিষেধাজ্ঞা জারি করা অস্ত্রের প্রথম তালিকা গত ৯ই অগাষ্ট প্রকাশ করে প্রতিরক্ষা মন্ত্রক। এর মধ্যে ১০১টি পণ্যের নাম ছিল। এরমধ্যে ছিল আর্টিলারি গান, অ্যাসল্ট রাইফেল, রাডার, ট্রান্সপোর্ট এয়ারক্রাফটের নাম। সশস্ত্র ফাইটিং ভেইকলের ক্ষেত্রেও নিষেধাজ্ঞা দেওয়া হয়েছিল। অন্তত ৫০০০ কোটি খরচে সেই গাড়ি কেনার কথা ছিল।

প্রতিরক্ষা মন্ত্রক জানিয়েছিল, এবার থেকে এসবই তৈরি হবে ভারতে।রাজনাথ সিং বলেছিলেন, ২০১৫ থেকে ২০২০-র মধ্যে তিন বাহিনীতে এরকম অন্তত সাড়ে ৩ লক্ষ টাকার অস্ত্র ও সরঞ্জাম আমদানি করা হয়েছে। এবার এই সিদ্ধান্তের পর ভারতীয় সংস্থাই ৪ লক্ষ টাকার বরাত পাবে আগামী ৬-৭ বছরে।

দ্বিতীয় দফায় কোন কোন অস্ত্র আমদানি নিষিদ্ধ করা হবে সে তালিকা তৈরি করার দায়িত্বে রয়েছে ডিপার্টমেন্ট অফ মিলিটারি অ্যাফেয়ার্স। এই ডিপার্টমেন্টের প্রধান রয়েছেন জেনারেল বিপিন রাওয়াত। অর্থাৎ কোন ধরনের অস্ত্র আমদানি নিষিদ্ধ হবে তার দ্বিতীয় তালিকা তৈরি হচ্ছে জেনারেল বিপিন রাওয়াতের অধীনেই।

উল্লেখ্য অস্ত্র আমদানির ক্ষেত্রে বিশ্বে ভারত রয়েছে দ্বিতীয় স্থানে। অস্ত্র রফতানিতে ২৩ নম্বর স্থানে রয়েছে ভারত। এখন ভারত প্রতিরক্ষা ক্ষেত্রে স্বনির্ভর হয়ে আমদানি কমিয়ে রফতানি বাড়াতে কত সক্ষম হয়, সেটাই এখন দেখার।