আমরা লাইভে English সোমবার, মে ১০, ২০২১

শিগগিরই ভারতের এয়ার ডিফেন্স কমাণ্ড ঘোষণা দেয়া হবে

DEFENCE-ENG-06-10-2020-India2

পূর্ব লাদাখে লাইন অব অ্যাকচুয়াল কন্ট্রোলে ভারত আর চীনের মধ্যে বিরাজমান উত্তেজনার প্রেক্ষিতে সরকার শিগগিরই নতুন এয়ার ডিফেন্স (এডি) কমান্ড ঘোষণা করবে। এই কমান্ডের কাঠামো সম্পর্কে এরই মধ্যে পর্যালোচনা করা হয়েছে, যেটা ভারতীয় বিমান বাহিনীর (আইএএফ) অধীনে থাকবে এবং চলতি বছরের শেষ নাগাত এ বিষয়ে চুড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেয়া হবে। 

এয়ার ডিফেন্স কমান্ডের মূল উদ্দেশ্য কি?

এর উদ্দেশ্য হলো দেশের আকাশসীমাকে সুরক্ষা করা এবং তিন বাহিনীর বিমান সম্পদকে সমন্বিত কমান্ডের অধীনে নিয়ে আসা। এর মধ্যে এস-৪০০ এয়ার ডিফেন্স সিস্টেমও রয়েছে, যেটা ২০২১ সালে হাতে পাবে বিমান বাহিনী। 

এয়ার ডিফেন্স (এডি) থ্রেট পার্সেপশান?

এর অর্থ হলো শত্রুর আক্রমণের সক্ষমতা সম্পর্কে মূল্যায়ণ করা। ভারত দুই পারমানবিক শক্তিধর দেশ পাকিস্তান আর চীন দ্বারা বেষ্টিত। এবং এই দেশ দুটি ভারতের বিরুদ্ধে ‘মিনিমান ক্রেডিবল ডিটারেন্সের’ নীতি মেনে চলে। 

ভারতের সেনাবাহিনী, নৌবাহিনী আর বিমান বাহিনী সবারই নিজস্ব এডি সম্পদ রয়েছে। উচ্চ নিরাপত্তা পরিস্থিতিতে নিজেদের মধ্যে সঙ্ঘাত এড়ানোর প্রয়োজনে এই তিন বাহিনীর এডি সিস্টেমের মধ্যে সমন্বয় করা হবে। 

তিন বাহিনীর এডি এফোর্টস

আভিযানিক সক্ষমতা বাড়ানোর জন্য ভারতীয় বিমান বাহিনী সার্ফেস-টু-এয়ার গাইডেড উইপন (এসএজিডাব্লিউ) এবং এডি রাডার পেতে চলেছে। এটা সব ধরণের সেন্সর, কমান্ড কন্ট্রোল স্ট্রাকচার এবং অস্ত্র ব্যবস্থার সমন্বয়েও সাহায্য করবে। 

ভারতীয় নৌবাহিনীর এডি সম্পদ

নৌবাহিনী তার আকাশ সুরক্ষা সম্পদগুলো মূলত সাগরভিত্তিক প্ল্যাটফর্মগুলোতে সংরক্ষণ করে থাকে। মিসাইলসহ আকাশের বিভিন্ন টার্গেটকে চিহ্নিত করার জন্য, আধুনিক নৌ যুদ্ধজাহাজগুলোতে অত্যাধুনিক অ্যারে রাডার সংযুক্ত করা রয়েছে। এগুলোতে বিশেষায়িত রাডার বিম রয়েছে, যেগুলো একাধিক বিমান ও মিসাইলকে একই সাথে অনুসন্ধান ও অনুসরণ করতে পারে। 

বিমানবাহী রণতরী বা প্রধান যুদ্ধ জাহাজে অন্তত দুই স্তরের এডি কাভার রয়েছে। বাইরের স্তরের সুরক্ষা দিচ্ছে করভেটের মতো পিকেট জাহাজগুলো, যেগুলোতে আগাম সতর্কতা জানানো রাডার রয়েছে। মূল জাহাজের ১০০ কিলোমিটার ব্যসের মধ্যে বিচরণশীল জাহাজের আগাম সঙ্কেত দিতে পারে এগুলো। রয়েছে জাহাজে বহনরত বিমান। আর মূল জাহাজের ভেতরে রয়েছে যে সিস্টেম, সেটা ২০ কিলোমিটার আওতার মধ্যে জাহাজের গতিবিধি দেখতে পারে। 

নিজস্বভাবে এডি সক্ষমতা অর্জন

ব্যালিস্টিক মিসাইল হামলা থেকে গুরুত্বপূর্ণ সম্পদ রক্ষার জন্য উচ্চাকাঙ্ক্ষী ব্যালিস্টিক মিসাইল ডিফেন্স (বিএমপি) সিস্টেম রয়েছে, যেটা দুই স্তরের কর্মসূচির উন্নয়নে ব্যবহার করা হবে। ২০১৮ সালে এর সক্ষমতা পরীক্ষা করা হয়। 

পরীক্ষার গুরুত্ব

ইন্টারসেপ্টর মিসাইলে তিনটি স্টেজ রয়েছে। সাথে রয়েছে দুটো সলিড রকেট বুস্টার, যেটা ভারতকে তাদের মহাকাশের সম্পদ সুরক্ষায় সক্ষমতা দিয়েছে। 

কুইক রিয়্যাকশান সার্ফেস-টু-এয়ার মিসাইল (কিউআরএসএএম)

এই সিস্টেম দিয়ে ৩০ কিলোমিটার দূরত্বের মধ্যে বিভিন্ন টার্গেট করে আঘাত হানা যায়। বর্তমানে একটা উন্নয়নের পর্যায়ে রয়েছে।