আমরা লাইভে English শনিবার, এপ্রিল ১৭, ২০২১

ইন্দো-প্যাসিফিক ভিশনকে সুদৃঢ় করতে ‘কোয়াড’ দেশগুলোর বৈঠক ৬ অক্টোবর

পররাষ্ট্রমন্ত্রীদের বৈঠককে চীনের ক্রমবর্ধমান প্রভাব মোকাবেলার চেষ্টা হিসেবে দেখা হচ্ছে

https___s3-ap-northeast-1.amazonaws.com_psh-ex-ftnikkei-3937bb4_images_4_8_1_5_29655184-5-eng-GB_Cropped-1601387615Pompeo
ভারতীয় পররাষ্ট্রমন্ত্রী এস জয়শঙ্কর ও তার আমেরিকান প্রতিপক্ষ মাইক পম্পেও (ডানে)

একটি অবাধ ও উন্মুক্ত ইন্দো-প্যাসিফিক অঞ্চল গড়ে তোলার অঙ্গীকার সুদৃঢ় করতে আগামী সপ্তাহে টোকিওতে বৈঠকে বসছেন জাপান, যুক্তরাষ্ট্র, অস্ট্রেলিয়া ও ভারতের পররাষ্ট্রমন্ত্রীরা। জাপানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী তোশিমিতসু মোতেগি মঙ্গলবার এ কথা জানিয়েছেন।

৬ অক্টোবরের ওই বৈঠকে মোতেগি, মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী মাইক পম্পেও, অস্ট্রেলিয়ার মরিস পাইন ও ভারতের এস জয়শঙ্কর যোগ দেবেন এই অঞ্চলে চীনের ক্রমবর্ধমান দৃঢ়তা প্রতিরোধের উপায় নিয়ে আলোচনা করার জন্য।

করোনাভাইরাসের প্রকোপ শুরু হওয়ার পর ‘কোয়াড’ নামে পরিচিত ইন্দো-প্যাসিফিক অঞ্চলের চার বড় গণতান্ত্রিক দেশের প্রতিনিধিদের মধ্যে এটাই প্রথম বৈঠক। এর আগে গত বছর সেপ্টেম্বরে জাতিসংঘ সাধারণ অধিবেশনের পার্শ্বদেশে তারা বৈঠক করেছিলেন।

মোতেগি এক সাংবাদিক সম্মেলনে বলে, কিছু আঞ্চলিক উচ্চাভিলাষের ব্যাপারে অভিন্ন দৃষ্টিভঙ্গী পোষণকারী চার দেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রীরা বিভিন্ন চ্যালেঞ্জের ব্যাপারে যে মতবিনিময় করবেন তা খুবই সময় উপযোগী।

প্রত্যেক প্রতিপক্ষের সঙ্গে আলাদা দ্বিপাক্ষিক বৈঠক করবেন বলেও জানিয়েছেন জাপানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী।

তিনি বলেন, করোনা-পরবর্তী বিশ্বের জন্য অবাধ ও উন্মুক্ত ইন্দো-প্যাসিফিক ভিশনের মূল্য বেড়েই চলেছে। এই ভিশন বাস্তবায়নের জন্য আরো অনেক দেশের সঙ্গে অধিকতর সমন্বয় গভীর করার গুরুত্ব পররাষ্ট্রমন্ত্রীদের বৈঠকে সুদৃঢ় হবে বলে আমি আশা করি। 

গত আট বছরের মধ্যে প্রথম দেশের নেতৃত্বে পরিবর্তন আসার পর নতুন প্রধানমন্ত্রীর দায়িত্ব গ্রহণ করা ইউশিহিদে সুগার সঙ্গে মার্কিন প্রতিরক্ষা মন্ত্রীর আলাদা সাক্ষাতের পরিকল্পনা রয়েছে বলে বিষয়টির সঙ্গে ঘনিষ্ঠ সূত্র সোমবার জানিয়েছে। 

ইন্দো-প্যাসিফিক অঞ্চলে আইনভিত্তিক আন্তর্জাতিক শৃঙ্খলা নিশ্চিত করতে সহযোগিতা জোরদার করছে যুক্তরাষ্ট্র, জাপান, অস্ট্রেলিয়া ও ভারত। এর মধ্যে রয়েছে আইনের শাসন, নৌ চলাচল ও বিমান উড্ডয়নের স্বাধীনতা এবং বিরোধের শান্তিপূর্ণ নিষ্পত্তি। তবে গোটা পরিকল্পনাটিই আসলে এই অঞ্চলে বেড়ে চলা চীনের প্রভাব মোকাবেলার জন্য করা হচ্ছে।