আমরা লাইভে English বুধবার, আগস্ট ০৪, ২০২১

নাইট্রোজেন ব্যবস্থাপনায় দ. এশিয়ার প্রথম আন্তর্জাতিক পুরস্কার পেলেন বাংলাদেশি গবেষক

capture_1_0

নাইট্রোজেন ব্যবস্থাপনায় গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখায় প্রফেসর ওয়াই পি অ্যাব্রল স্মৃতি পুরস্কার পেয়েছেন বাংলাদেশি গবেষক ড. অঞ্জন দত্ত।

ইন্ডিয়ান সায়েন্স ওয়ারের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, বাংলাদেশের ড. অঞ্জন দত্ত ছাড়াও নেপালের মহেশ প্রধানকে একইসঙ্গে দেওয়া হয়েছে এই পুরস্কার।

ইন্টারন্যাশনাল নাইট্রোজেন ইনিশিয়েটিভ (আইএনআই-২০২১)-এর অষ্টম ত্রি-বার্ষিক সম্মেলনের অংশ হিসেবে গত ৩ জুন ভার্চুয়ালি অনুষ্ঠিত এক বিশেষ অনুষ্ঠানে এই পুরস্কার ঘোষণা করা হয়।

গ্লোবাল পার্টনারশিপ অন নিউট্রিয়েন্ট ম্যানেজমেন্টের (জিপিএনএম) প্রতিষ্ঠাতা স্থপতি ও সমন্বয়কারী হিসেবে নিজেদের কাজের স্বীকৃতি হিসেবে তারা দুনকে এই পুরস্কার পেয়েছেন।

জাতিসংঘের পরিবেশ বিষয়ক কর্মসূচির আওতায় সরকার, গবেষক, ইন্ডাস্ট্রি ও সুশীল সমাজের যৌথ উদ্যোগ বৈশ্বিক নিউট্রিয়েন্ট দূষণ নিয়ে করে জিপিএনএম। পুরস্কারপ্রাপ্ত দুজন গবেষক সেখানে কর্মরত আছেন।

সাসটেইনেবল ইন্ডিয়া ট্রাস্টের সভাপতি রঘুরাম জানান, ২০২০ সালের ২৬ জুলাই মারা যান সাসটেইনেবল ইন্ডিয়া ট্রাস্টের প্রতিষ্ঠাতা। তার স্মরণে ২০২০ সাল থেকে ‘প্রফেসর ওয়াই পি অ্যাব্রল মেমোরিয়াল অ্যাওয়ার্ড ফর এক্সিলেন্স ইন সায়েন্স অ্যান্ড/অর পলিসি টুয়ার্ডস সাসটেইনেবল নাইট্রোজেন ম্যানেজমেন্ট’ পুরস্কার দেওয়া হয়।

তিনি বলেন, ‘বৈশ্বিক পর্যায়ে নাইট্রোজেন ব্যবস্থাপনায় দক্ষিণ এশিয়ায় ভূমিকা তুলে ধরা ও তার প্রতি যথাযথ সম্মান প্রদর্শনে এই পুরস্কার প্রবর্তন করা হয়েছে।’

পুরস্কার গ্রহণের পর অঞ্জন দত্ত তার প্রতিক্রিয়ায় জানান, খাদ্য নিরাপত্তায় নাইট্রোজেন ও ফসফরাসের মতো মূল্যবান পুষ্টি উপাদান  খুবই গুরুত্বপূর্ণ। এগুলোর অব্যবস্থাপনায় পানি ও বাতাস দূষিত হচ্ছে। এর ফলে অস্বাস্থ্য, জীব বৈচিত্র্যের ক্ষতি হচ্ছে ও জলবায়ু পরিবর্তনে ভূমিকা রাখছে।

তিনি আরও বলেন, ‘প্রফেসর অ্যাব্রল ও ভারতীয় নাইট্রোজেন গ্রুপের বহু বছরের প্রচেষ্টার ফল এটি। আমি সৌভাগ্যবান যে তার সঙ্গে পরিচয় ছিল এবং এই পুরস্কার পেয়ে আমি খুবই সম্মানিত ও গৌরবান্বিত বোধ করছি।’