আমরা লাইভে English রবিবার, এপ্রিল ১৮, ২০২১

শ্রীলঙ্কাকে ‘বিশেষ বন্ধু’ হিসেবে দেখছেন ইমরান

image-151100-1614312575bdjournal

দুদিনের শ্রীলঙ্কা সফর শেষে বুধবার ইসলামাবাদে ফিরেছেন পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী ইমরান খান। দ্বিপক্ষীয় এ সফরে ইমরান শ্রীলঙ্কাকে ‘বিশেষ বন্ধু ও অংশীদার’ হিসেবে অভিহিত করেন। ইমরান খানের আশাবাদ, তাদের সম্পর্ক সামনের দিনগুলোয় আরো দৃঢ় ও গভীর হবে। জিওটিভি।

সদ্যসমাপ্ত সফরে কলম্বোর ‘আন্তরিক ও প্রশংসনীয় আতিথেয়তার’ জন্য লংকান প্রধানমন্ত্রী মাহিন্দা রাজাপাকসেকে ধন্যবাদও জানিয়েছেন তিনি। পাকিস্তান ও শ্রীলংকার মধ্যে সম্পর্ক আগে থেকেই বেশ গভীর। এ কারণে শ্রীলঙ্কায় ইমরান খানের অভ্যর্থনাও ছিল অনেক উষ্ণ। কলম্বোয় এসে পৌঁছার পর শ্রীলঙ্কার প্রধানমন্ত্রী মাহিন্দা রাজাপাকসে তাকে অভ্যর্থনা জানান। ইমরান খানকে বরণ করে নেয়া হয় গার্ড অব অনার দিয়ে। রাষ্ট্রীয় এসব আনুষ্ঠানিক অভ্যর্থনার বাইরে ইমরান খানের সফর নিয়ে মাহিন্দা রাজাপাকসের ব্যক্তিগত উচ্ছ্বাসও ছিল অনেক বেশি।

এ নিয়ে একের পর এক টুইট করেছেন তিনি। এমনকি এ নিয়ে পাকিস্তানের রাষ্ট্রভাষা উর্দুতেও বিভিন্ন বার্তা দিয়েছেন রাজাপাকসে। শ্রীলঙ্কার প্রধানমন্ত্রীর ছেলে নামাল রাজাপাকসে এখন দেশটির যুব ও ক্রীড়ামন্ত্রীর দায়িত্ব পালন করছেন। পাকিস্তানি প্রধানমন্ত্রীর সফর চলাকালে কলম্বোয় ‘ইমরান খান হাই পারফরম্যান্স স্পোর্টস সেন্টার’ স্থাপনের ঘোষণা দিয়েছেন তিনিও।

উচ্ছ্বাস দেখিয়েছেন ইমরান খানও। যদিও শ্রীলঙ্কায় এটিই তার প্রথম সফর ছিল না। পাকিস্তানের বিশ্বকাপজয়ী দলের অধিনায়ক সাবেক এ ক্রিকেটার আগেও অসংখ্যবার শ্রীলঙ্কা সফরে গিয়েছেন। বিশেষ করে ১৯৭৫ থেকে ১৯৮৬ সাল পর্যন্ত পাকিস্তান জাতীয় দলের সঙ্গে বেশ কয়েকবার শ্রীলঙ্কায় ক্রিকেট খেলতে গিয়েছেন তিনি। তবে পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী হিসেবে ইমরান খানের এটিই প্রথম শ্রীলঙ্কা সফর। একই সঙ্গে করোনা-উত্তরকালে কলম্বো সফরকারী প্রথম বিদেশী সরকারপ্রধানও তিনি।

এসব উচ্ছ্বাসের বাইরে শ্রীলঙ্কার কাছে ইমরান খানের সফরের গুরুত্ব অন্যখানে। এ সফরেই স্পষ্ট হয়ে যায়, প্রতিরক্ষা খাতে পারস্পরিক সহযোগিতা বাড়াতে যাচ্ছে পাকিস্তান ও শ্রীলংকা। কলম্বোয় ইমরান খান ঘোষণা দিয়েছেন, শ্রীলঙ্কার জন্য প্রতিরক্ষা লাইন অব ক্রেডিট আরো ৫ কোটি ডলার সম্প্রসারণ করবে ইসলামাবাদ।

এছাড়া এ সময় আঞ্চলিক নিরাপত্তা, সন্ত্রাস ও সংঘটিত অপরাধ মোকাবেলা এবং মাদক ও নেশাদ্রব্য চোরাচালান মোকাবেলায় একযোগে কাজ করারও ঘোষণা দেন দুই দেশের প্রধানমন্ত্রী। একই সঙ্গে ঘোষণা দেয়া হয় গোয়েন্দা তথ্য ভাগাভাগিরও।