আমরা লাইভে English বৃহস্পতিবার, এপ্রিল ১৫, ২০২১

এবার ‘বিকল্প নোবেল’ পেলেন যাঁরা

Screenshot 2020-10-02 130012
বিকল্প নোবেলজয়ী বেলারুশের অধিকারকর্মী অ্যালেস বিয়ালিয়াৎস্কি (ওপরে বাঁয়ে), ইরানের আইনজীবী নাসরিন সোতৌদেহ (ওপরে ডানে), নিকারাগুয়ার অধিকারকর্মী লটি কানিংহাম রেন (নিচে বাঁয়ে) ও যুক্তরাষ্ট্রের অধিকারকর্মী আইনজীবী ব্রায়ান স্টিভসন (নিচে ডানে)।ছবি: রাইট লাভলিহুড ফাউন্ডেশন

এবার ‘বিকল্প নোবেল’ পেয়েছেন বেলারুশের গণতন্ত্রকামী অধিকারকর্মী অ্যালেস বিয়ালিয়াৎস্কি, ইরানের মানবাধিকার আইনজীবী নাসরিন সোতৌদেহ, যুক্তরাষ্ট্রের অধিকারকর্মী আইনজীবী ব্রায়ান স্টিভসন এবং নিকারাগুয়ার অধিকারকর্মী লটি কানিংহাম রেন। বৃহস্পতিবার এ পুরস্কার ঘোষণা করা হয়েছে।

বার্তা সংস্থা এএফপির খবরে এসব তথ্য উল্লেখ করা হয়েছে। এ পুরস্কারের মূল নাম আসলে ‘রাইট লাভলিহুড অ্যাওয়ার্ড’।

১৯৮০ সাল থেকে জার্মান-সুইডিশ জীববিজ্ঞানী জ্যাকব ভন ইউসকুল এ পুরস্কারের প্রবর্তন করেন। রাইট লাভলিহুড ফাউন্ডেশনের পক্ষ থেকে পরিবেশ, মানবাধিকার, স্বাস্থ্য, শিক্ষা, শান্তি অথবা টেকসই উন্নয়নের জন্য কাজ করা ব্যক্তিদের এ পুরস্কার দেওয়া হয়। এ ফাউন্ডেশনের নির্বাহী পরিচালক ওলে ভন ইউসকুল বলেন, ন্যায়বিচার, স্বাধীনতা, সমতা এবং গণতন্ত্রের জন্য কাজ করা ব্যক্তিরা এবার পুরস্কার জিতেছেন।

জার্মানির গণমাধ্যম ডয়চে ভেলের খবরে বলা হয়েছে, বেলারুশের মানবাধিকারকর্মী অ্যালেস বিয়ালিয়াৎস্কির বয়স ৫৮ বছর। জীবনের অর্ধেক সময় তিনি বেলারুশের মানবাধিকার প্রতিষ্ঠার জন্য কাজ করছেন। বেলারুশের বর্তমান পরিস্থিতি প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ‘দেশটিতে দমন-পীড়ন সাম্প্রতিক সময়ে ব্যাপক আকার ধারণ করেছে। আমরা এমন অবস্থা কখনো দেখিনি। আমরা বর্তমানে একটি সামাজিক বিপর্যয় প্রত্যক্ষ করছি।’

নিকারাগুয়ার মোট জনসংখ্যার প্রায় ৩ শতাংশ আদিবাসী। করোনা মহামারির সময় এ আদিবাসীদের জন্য কাজ করেছেন নিকারাগুয়ার অধিকারকর্মী লটি কানিংহাম রেন। তিনি বলেন, সেখানকার মানুষের ধারণা, এটা শুধু জ্বর কিংবা ফ্লু। দুঃখের বিষয় হলো নার্সদের কাছে প্যারাসিটামল পর্যন্ত নেই।

ইরানের মানবাধিকার আইনজীবী নাসরিন সোতৌদেহর সম্প্রতি ১২ বছর কারাদণ্ড হয়েছে। তিনি কারাগারে রয়েছেন। ইরানে হিজাব পরা বাধ্যতামূলক। কিন্তু এ হিজাব পরার বিরুদ্ধে প্রতিবাদ করা এক নারীর হয়ে আইনি লড়াইয়ে নেমেছিলেন নাসরিন। রাইট লাভলিহুড ফাউন্ডেশনের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, নির্ভীক আন্দোলনের জন্য তাঁকে এ পুরস্কার দেওয়া হয়েছে।

আর যুক্তরাষ্ট্রের অপরাধসংক্রান্ত বিচারব্যবস্থায় পরিবর্তন আনতে কাজ করার জন্য পুরস্কার দেওয়া হয়েছে আইনজীবী ব্রায়ান স্টিভসনকে।